ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য নতুন এক আবাসন সুবিধার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে চীন ও বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্মাণ করা হবে চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হল, যেখানে একসঙ্গে ৫ হাজার ছাত্রী থাকার সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের মধ্যেই এই হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের আমন্ত্রণে ডাকসুর নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ঢাকায় চীনা দূতাবাসে বৈঠক করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সম্পাদকবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এইচ এম মোশারফ হোসেন।
সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, গবেষণা, ক্রীড়া, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ডাকসু নেতৃবৃন্দ।
ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি সাদিক কায়েম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জানান, আলোচনায় প্রস্তাবিত মৈত্রী হলের কাজ শিগগিরই শুরু হবে এবং অতিরিক্ত আরও দুটি হল নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে নতুন হল নির্মাণের উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
এছাড়া বৈঠকে চীন-বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, স্কলারশিপ, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নানা উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
বৈঠক শেষে ডাকসুর পক্ষ থেকে চীনের রাষ্ট্রদূতকে স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। পাল্টা শুভেচ্ছা হিসেবে ডাকসুর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরাও রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে স্মারক গ্রহণ করেন।